গ্রীষ্মকালে প্রকৃতি এমনিতেই অনেক রুক্ষ হয়ে ওঠে। এ সময় চারদিকে ধুলোবালি বেড়ে যাওয়ায় তা সহজেই আটকে যায় চুলে। এতে করে মাথায় ময়লা জমে খুশকি হতে পারে। আবার সময় মতো চুল পরিষ্কার না করার কারণেও খুশকি হতে পারে।এই খুশকি চুলের ক্ষতির পাশাপাশি মুখের ব্রণও সৃষ্টি করতে পারে। তাই যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মাথা থেকে খুশকি দূর করা উচিত।

 

 

এবার অর্থসূচকের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হলো গরমে খুশকি মুক্ত চুলের কিছু টিপস!

 

 

এক

হালকা উষ্ণ বাদাম তেল, নারিকেল তেল অথবা অলিভ ওয়েল মাথার তালুতে ম্যাসেজ করলে খুশকি দূর হয়।

 

 

দুই

১ টেবিল চামচ লেবুর রসের সাথে ৫ টেবিল চামচ নারিকেল তেল একসাথে মিশিয়ে নিন। এবার এই মিক্সার মাথার তালুতে লাগিয়ে ২০-৩০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এভাবে করলে খুশকি থাকবে না।

 

 

তিন

দুটো ডিম ভেঙে পেস্ট করে মাথার তালুতে লাগান। এক ঘণ্টা পর ভালোভাবে ধুয়ে ফেলুন। এই পদ্ধতি খুশকি দূর করতে এবং চুল পড়া কমাতে অনেক কাজ দিবে।

 

 

চার

গোসলে যাওয়ার আগে লেবুর রস দিয়ে মাথার তালুতে ভালোভাবে ম্যাসেজ করুন। এরপর ১৫-২০ মিনিট পর মাথা ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন খুশকি চলে যাবে।

 

 

পাঁচ

৩-৪ টুকরা লেবু ৪-৫ কাপ পানির মধ্যে দিন। এরপর লেবু মিশ্রিত পানি ১৫-২০ মিনিট ধরে সিদ্ধ করুন ও পরে এটি ঠান্ডা করুন। মাথার চুল ধোঁয়ার সময় এই ঠাণ্ডা মিশ্রণটি ব্যবহার করুন। কমপক্ষে ১ সপ্তাহ এভাবে ব্যবহার করলে খুশকি থাকবে না।

ছয়

সামান্য পরিমাণ টক দই মাথার তালুতে লাগিয়ে ১ ঘণ্টা রেখে দিন। এরপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত দুইবার এই পদ্ধতি অবলম্বন করলেও খুশকি চলে যাবে।

 

 

সাত

২ টেবিল চামচ মেথি পানিতে ভিজিয়ে পরে পেস্ট করে নিন। এবার এই পেস্টটি চুলে এবং মাথার তালুতে লাগিয়ে ৩০ মিনিট রাখুন। এরপর শ্যাম্পু করে ধুয়ে ফেলুন। ভাল ফলাফলের জন্য এভাবে অন্তত ৪ সপ্তাহ এটি ব্যবহার করুন। তাহলে খুশকি আর বাসা বাঁধতে পারবে না।

 

 

আট

নিমপাতা পিষে পেস্ট বানিয়ে মাথায় লাগান। প্রায় ৩০ মিনিট পর তা ধুয়ে ফেলুন। এতেও খুশকি চলে যাবে।
খুশকি রোধে চুল পরিষ্কার রাখার কোনো বিকল্প নেই। কাজেই প্রতিদিনই চুল পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করুন। এতে আপনার চুল হয়ে উঠবে সুন্দর ও খুশকিমুক্ত।