Tuesday , November 22 2016
[X]
Home / স্বাস্থ্য সেবা / অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের আগে ডাক্তারকে করুন এই প্রশ্নগুলো!

অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের আগে ডাক্তারকে করুন এই প্রশ্নগুলো!

ইদানিং ছোটখাটো অসুখেই আমরা অ্যান্টিবায়োটিক খেয়ে ফেলি। কিন্তু ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া মোটেই উচিৎ নয়। আর অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের আগে ডাক্তারের থেকে এর ব্যাপারে কিছু তথ্য জেনে নেওয়া উচিৎ। এর ফলে আপনার আরোগ্য লাভের প্রক্রিয়া যেমন সহজ হবে তেমনি কিছু অস্বস্তিকর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও এড়ানো সম্ভব হবে। ডাক্তারকে কী কী প্রশ্ন করবেন অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যাপারে, দেখে নিন-
১) আমি কেন এই ওষুধটি খাবো?
২) কখন খেতে হবে?
ঠিক কোন সময়ে ওষুধ খাওয়া ভালো হবে, এটা ডাক্তারের থেকে জেনে নিন। দিনে তিনবার খাওয়ার পর অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া কারও কারও ক্ষেত্রে ভালো হতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে আবার ঘুম থেকে ওঠার পর, দুপুরে হালকা নাশতার পর এবং ঘুমাতে যাবার আগে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াটা উপকারী হতে পারে। ভালো করে জেনে নিন।
৩) খাওয়ার পর অ্যান্টিবায়োটিক খেতে হবে কি?
৪) অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ার সময়ে কি কোনো খাবার এড়িয়ে চলতে হবে?
কিছু ওষুধ বিশেষ কিছু খাবারের কারণে খারাপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি করতে পারে। যেমন টেট্রাসাইক্লিনের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে দুগ্ধজাত পণ্য। এ কারণে ডাক্তারকে জিজ্ঞেস করে নিন কোনো খাবার বাদ দিতে হবে কিনা।

 
৫) ওষুধের সাথে কি বেশি করে পানি পান করতে হবে?
পানি দিয়ে ওষুধ গেলার সময়ে অনেকেই অনেক বেশি পরিমাণে পানি পান করে ফেলেন। এতে পেটে সমস্যা করার আগেই দ্রবীভূত হয়ে যায় ওষুধ। এতে বমিভাব দমন করা যায়। কিছু ক্ষেত্রে বেশি করে পানি পান করাটা জরুরী হতে পারে, এটা ক্যাপসুলকে শরীরে শোষিত হতেও সাহায্য করে।
৬) প্রোবায়োটিক খাওয়ার কি দরকার আছে?
৭) ওষুধ খেতে ভুলে গেলে কী করবেন?
অনেকেই সময়মত ওষুধ খেতে ভুলে যান। এক্ষেত্রে কী করনীয় তা আগেই জেনে নিন। কারণ কিছু ক্ষেত্রে ওষুধের কথা মনে পড়ার সাথে সাথেই খেয়ে নিতে হয়। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে পরের ওষুধটা খাওয়ার সময় পর্যন্ত অপেক্ষা করা ভালো।
৮) কখন আমার রোগ সারবে?
রোগ সেরে আপনি ভালো অনুভব করতে পারেন কতদিন পর, তা জেনে নিতে পারেন ডাক্তারের থেকে। শরীর ভালো লাগছে বলেই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বন্ধ করে দেবেন না, কোর্স কমপ্লিট করাটা খুবই জরুরী। ওষুধ খাওয়া শুরু করার কিছুদিনের মাঝে যদি শরীর ভালো না হয় তাহলে হয়ত ওষুধ পরিবর্তন করতে হতে পারে তাই ডাক্তারের থেকে সময়টা জেনে রাখুন।
৯) কী কী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে?
খুব কম পরিমাণে মানুষের মাঝে সাধারণত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। কিন্তু এর ব্যাপারে জেনে রাখা উচিৎ সবারই। এ কারণে ডাক্তারের থেকে জেনে নিন এবং এমন উপসর্গ দেখা দিলে কী করবেন তাও জেনে রাখুন।
১০) ওষুধ ভেঙ্গে খাওয়া যাবে?
অনেকেই ওষুধ গিলে খেতে পারেন না, তারা ওষুধ ভেঙ্গে গুঁড়ো করে খান। কিন্তু এটা করার আগে ডাক্তারের থেকে জেনে নিন কাজটা ঠিক হবে কিনা। কারণ অনেক সময়ে ক্যাপসুল অবস্থায় একভাবে আর গুঁড়ো অবস্থায় আরেকভাবে শরীরে শোষিত হয় ওষুধ। গুঁড়ো করে না খেয়ে ওই ওষুধের লিকুইডটি খেতে পারেন।
১১) আপনার অন্যান্য ওষুধের সাথে এই অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া কি নিরাপদ?
ডাক্তারকে জানিয়েই দেওয়া হয় কী কী ওষুধ খাওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেকেই বার্থ কন্ট্রোল পিল অথবা টুকিটাকি অ্যালার্জির ওষুধ, প্যারাসিটামল এসবের কথা বলতে ভুলে যান। সবই বলে নিতে হবে। কিছু কিছু অ্যান্টিবায়োটিকের কারণে বার্থ কন্ট্রোল পিলের কার্যকারিতা কমে যেতে পারে। আবার আয়রন ট্যাবলেট খেলে সেটা কিছু অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা কমিয়ে দিতে পারে। তাই জেনেশুনে ওষুধ গ্রহণ করুন।
১২) অ্যালার্জি হবার কোনো সম্ভাবনা আছে কী?
অ্যান্টিবায়োটিকে যদি কখনো আপনার অ্যালার্জি হয়ে থাকে তবে ডাক্তারকে সেটা জানাতে ভুল করবেন না। ওই ওষুধ এবং একই ধরণের ওষুধগুলোর প্রতি আপনার অ্যালার্জি থাকতে পারে। আবার বয়সের সাথে সাথে কিছু অ্যালার্জির প্রকোপ কমেও যেতে পারে।
আরো পড়ুনঃ
Content Protection by DMCA.com

Check Also

জেনে নিন স্ট্রবেরীর অসাধারণ ৭ স্বাস্থ্যগুণ!

জেনে নিন সুস্বাদু স্ট্রবেরীর অসাধারণ ৭ স্বাস্থ্যগুণ!

জেনে নিন সুস্বাদু স্ট্রবেরীর অসাধারণ ৭ স্বাস্থ্যগুণ!   লাল রঙের ছোট ফল স্ট্রবেরি। বিদেশী এই …

Loading...