Monday , November 21 2016
[X]
Home / ধর্ম ও জীবন / জেনে নিন রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে যাদের জন্য!

জেনে নিন রোজা না রাখার অনুমতি রয়েছে যাদের জন্য!

রমজানের রোজা রাখা ফরজ। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে এ বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে। এ নির্দেশনা সবার জন্য। তবে কিছু কিছু বিষয় আছে যেগুলোর কারণে রমজান মাসে রোজা না রাখার সুযোগ আছে। কোরআন-হাদিসের আলোকে ফুকাহায়ে কেরাম এর বর্ণনা দিয়েছেনঃ

 
১. অসুস্থতার কারণে রোজা রাখার শক্তি না থাকলে বা রোগ বেড়ে যাওয়ার আশংকা থাকলে। (পরে কাযা করে নিবে)। এবিষয়ে কোরআনুল কারিম বলছে ‘যে কেউ রমজান মাস পাবে, সে যেন রোজা পালন করে। আর যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত বা সফরে থাকে সে যেন অন্য সময়ে তা আদায় করে নেয়। [সুরা বাকারা : ১৮৫] ২. গর্ভবর্তী মহিলা রোজা রাখলে যদি নিজের বা সন্তানের ব্যাপারে আশংকা করে।

 

 

 
৩. যে মহিলা নিজ বা অন্যের বাচ্চাকে দুধ খাওয়ান, তিনি রোজা রাখলে যদি বাচ্চার কষ্ট হবে মনে করেন, তাহলে রোজা না রেখে পরে কাযা করতে পারবেন।
৪. শরয়ি মুসাফির (কমপক্ষে ৪৮ মাইল ভ্রমণ করেছেন যিনি) তার জন্য রোজা না রাখার অনুমতি আছে। তবে কষ্ট না হলে রোজা রাখা উত্তম। অবশ্য নিজের বা সঙ্গীদের কষ্ট হলে রোজা না রাখাই উত্তম।
৫. যদি রোজা রেখে সফর শুরু করে, তাহলে সে রোজা পূর্ণ করা জরুরি। আর যদি খেয়ে সফল থেকে বাড়ির দিকে রওয়ানা হয়, তাহলে বাকি দিন খাওয়া-পানাহার বাদ দেয়া উত্তম। আর যদি না খেয়ে শুরু করে এরপর বাড়ি পৌঁছানোর পরও রোজার নিয়ত করার সময় থাকে, তাহলে রোজার নিয়ত করে নেবে।

 

 

 
৬. কেউ কাউকে রোজা রাখলে হত্যার হুমকি দিল বা কোনোভাবে রোজা না রাখার উপর বাধ্য করলো, তাহলে রোজা না রেখে পরে কাযা করে নিতে পারেন।
৭. ক্ষুধা বা পিপাসা যদি এত বেশি হয় যে, কোনো দ্বীনদার ডাক্তার প্রাণের আশংকা করেন, তাহলে রোজা ভাঙা যাবে, তবে পরে কাযা করে নিতে হবে।
৮. মহিলাদের ঋতুকালীন সময়ে বা সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পরবর্তী অসুস্থকালীন সময়ে রোজা রাখা যাবে না। তবে পরে কাযা করে নিতে হবে।

 
এসব কারণ ছাড়া এমনিতে আমাদের সমাজে অনেকে এ মাসে অসুস্থ বনে যান। এটা অনেক আফসোসের বিষয়। নিশ্চয় আল্লাহ তায়ালা সব রকম চালাকি বুঝতে পারেন।
উল্লেখ্য, যাদের জন্য রোজা ভাঙার অনুমতি আছে, তাদের উচিৎ রমজানের সম্মান ধরে রাখা। প্রকাশ্যে কোনো কিছু না খাওয়া।

 

আরো পড়ুনঃ

 

Content Protection by DMCA.com

Check Also

Roja-1

রোজাদারদের খাবার নিয়ে সামনে বসে থাকার ফযিলত!

পেটে প্রচন্ড ক্ষুধা, গলায় তৃষ্ণা, সামনে শীতল শরবত। দস্তরখানে বাহারি খাবারও হাজির। কিন্তু আপনি খাচ্ছেন …

Loading...