Sastha Seba

November 26, 2024

পুরুষের দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধান-দ্রুত বীর্যপাত না হওয়ার ট্যাবলেট।

বীর্য পুরুষের প্রজনন অঙ্গ থেকে নির্গত একটি গুরুত্বপূর্ণ জৈবিক তরল, যা মানব প্রজননে অপরিহার্য ভূমিকা পালন করে। এতে থাকা ক্রোমোজোম বংশগতির তথ্য বহন করে, যা প্রজন্মের ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করে। কিন্তু দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা, বীর্য তৈরির প্রক্রিয়া এবং এর সঠিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে অনেকেরই স্পষ্ট ধারণা নেই।

দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা সমাধান

এই ব্লগে, আমরা বীর্য সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বিশ্লেষণ করবো। এখানে আলোচনা করা হবে দ্রুত বীর্যপাতের চিকিৎসা, বীর্য বৃদ্ধির উপায়, এবং গর্ভধারণে বীর্যের ভূমিকা। এছাড়া, ধর্মীয় প্রশ্ন যেমন বীর্যপাত হলে নামাজ পড়া যাবে কি বা বীর্যপাত রোজা ভাঙে কি এরও উত্তর পাবেন।

আপনার শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হতে এবং প্রজনন সংক্রান্ত সঠিক তথ্য পেতে পড়তে থাকুন আমাদের ব্লগ।

পেজের সূচিপত্রঃ দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধান-দ্রুত বীর্যপাত না হওয়ার ট্যাবলেট।

  • দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা কি?
  • বীর্য তৈরি হতে কতো দিন সময় লাগে

  • প্রতিদিন বীর্য ফেললে কী হয়?

  • বীর্য না ফেললে কি হয়?

  • কতো দিন পর পর বীর্য ফেলা উচিত

  • দ্রুত বীর্যপাত কী?

  • দ্রুত বীর্য পাতের চিকিৎসা

  • দ্রুত বীর্যপাত রোধে করণীয়

  • মেয়েদের বীর্যপাত হয় কি

  • দূত বীর্যপাতের সমাধান

  • বীর্যপাতের পর কি খাওয়া উচিত

  • অতিরিক্ত বীর্যপাত করলে কি হয়

  • বীর্য বৃদ্ধির উপায়

  • বীর্যপাত হলে কি রোজা ভেঙে যায়

দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা কি?

বীর্য এক প্রকার আঠালো জেলীর ন্যায় ঈষৎ ক্ষারীয় জৈব তরল। যা সাধারণত পুরুষ প্রজনন ট্র্যাক্ট থেকে নির্গত হয় এবং এতে শুক্রাণু থাকে, যা নারীর জরায়ুতে সৃষ্ট হওয়া ডিম্বাণু নিষিক্ত করতে সক্ষম। যৌনভাবে পরিপক্ক পুরুষ মানুষের শুক্রাণু উৎপাদিত হয় টেস্টিস থেকে। যা মোট বীর্যের আয়তনের মাত্র দুই থেকে পাঁচ শতাংশ গঠন করে। ‌ একজন পুরুষের টেস্টিস থেকে মাসে প্রায় ১০ কোটি শুক্রাণু তৈরি হয়। শুক্রাণুর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম। এই ক্রোমোজোমই থাকে মানুষের আসল অস্তিত্ব। এছাড়াও বীর্য তৈরির অন্যান্য উপাদানগুলো হল জিংক, পটাশিয়াম, ভিটামিন বি ১২ ও আরও কিছু রাসায়নিক পদার্থ।

দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা সমাধান ওষুধ

বীর্য তৈরি হতে কতদিন সময় লাগে?

মানুষের শরীরের সব সময় অল্প অল্প পরিমাণে বীর্য বানিয়ে চলেছে। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। তাই অল্প করে হলেও প্রতিদিনই কিছু না কিছু পরিমাণ বীর্য একজন পুরুষের শুক্রাশয়ে জমা হয়। অনেক সময় একবার বীর্যপাতের পর পরবর্তী বীর্যপাত হতে অনেক সময় লাগে অথবা ঠিক ভাবে বীর্যপাত হয় না। তার মানে এই নয় যে তার শরীর বীর্য উৎপাদন বন্ধ করে দিয়েছে। বীর্য কিন্তু শুক্রাশয়ে জমা অবস্থাতেই আছে। এতে ভয় পাবার কোন কারণ নেই।

More to Read: থাইরয়েড সমস্যা: লক্ষণ

পুরুষের অন্ডকোষের অভ্যন্তরে মিয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে শুক্রাণু উৎপন্ন হয়। এ পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে প্রায় ৭০ দিন সময় লাগে। তার মানে এই নয় যে, একবার বীর্যপাতের পর কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে বা ৭০ দিনে অপেক্ষা করতে হবে। কারণ প্রতিদিনের প্রতি সেকেন্ডে বীর্য উৎপাদনের কোন না কোন ব্যাচ সম্পূর্ণ হচ্ছে এবং তা শুক্রাশয়ে জমা হচ্ছে।

প্রতিদিন বীর্য ফেললে কি হয়?

যৌন মিলন বা হস্তমৈথুন মোটেই নোংরা বিষয় নয়। তবে অতিরিক্ত বীর্যপাত নিজে থেকে করলে অর্থাৎ হস্তমৈথুন করলে সেটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে যেতে পারে। এটা কারো জন্যই ঠিক নয়। প্রতিদিন বীর্যপাত করলে তা যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয় এবং অন্যান্য অঙ্গকেও কোন না কোন ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। এর ফলে শরীরে আমিষের অভাব দেখা দেয়। বীর্যপাতের ফলে শরীরে কর্টিসল উৎপাদন বৃদ্ধি পায় ফলে পুরো শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। স্মরণশক্তি হ্রাস পায়।

বীর্য না ফেললে কি হয়?

যৌন মিলন বা হস্তমৈথুন মোটেই নোংরা বিষয় নয়। নিয়মিত যৌন মিলন শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। এটি একটি মৌলিক চাহিদা। তবে নিয়মিত বীর্য না ফেললে তা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। এতে কোনো শারিরীক সমস্যাও হয় না। বা অন্ডকোষ ফেটে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা ও নেই। একজন পুরুষ মানুষের দেহে সবসময়ই বীর্য উৎপাদন হতে থাকে। তাই নিয়মিত যদি বীর্যপাত করা না হয় তাহলে সেটা নিজে নিজেই আবার শরীরে শোষিত হয়। এটা নিয়ে টেনশন করার কিছুই নেই। হস্তমৈথুন না করলে তা নিজে নিজেই স্বপ্নদোষের মাধ্যমেও শরীর থেকে বের হয়ে যায়। যা আটকে রাখা সম্ভব না।

কতো দিন পর পর বীর্য ফেলা উচিত

হস্তমৈথুন বা বীর্যপাত নিয়ে অনেকেরই সঠিক ধারনা নেই। সপ্তাহে বা দিনে কতবার বীর্য ফেলা যাবে সে সম্পর্কে অনেকেই জানেন না। তাই দেখা যায় অনেকের ক্ষেত্রে তা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়। যা পরবর্তীতে মানসিক সমস্যায়ও রূপ নিতে পারে। প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষ এই মানসিক সমস্যায় ভুগে থাকেন। তাই অতিরিক্ত বীর্য ফেলা ঠিক নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে একজন সুস্থ মানুষের প্রতি সপ্তাহে ২ থেকে ৩ দিন পর শারিরীক চাহিদা মেটাতে বীর্য ফেলা উচিত। তবে শারিরীক চাহিদা অনুযায়ী কোনো কোনো ক্ষেত্রে প্রতিদিন ১ বার করেও বীর্য ফেলা যাবে। কিন্তু এর থেকে বেশি বার করলে আসক্ত হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। যা স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। কারণ বীর্যের সাথে প্রোটিন ও নানা রকম হরমোন দেহ থেকে বের হয়ে যায়।

দ্রুত বীর্যপাতে কী?

যৌন মিলনের সময় সঙ্গীর শারিরীক উপলব্ধি হয়ার আগেই পুরুষের বীর্যপাত হওয়াকে দ্রুত বীর্যপাত বলে। এটি এখনকার সময়ের একটি অন্যতম সমস্যা। ঘরোয়া কিছু পদক্ষেপ নিলে সহজেই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। তবে কতক্ষণ সময়কে দ্রুত বলা যায় সেটা ঠিক করা মুশকিল। কারণ এরিয়াভেদে এর সময়কাল ভিন্ন হতে পারে। এশিয়ার একজন পুরুষের যত দ্রুত বীর্যপাত হবে আফ্রিকার একজন তার তুলনায় বেশি সময় পাবেন বীর্যপাতের সময়। একজন সুস্থ ব্যক্তি প্রথমবার মিলনের সময় ১ থেকে ২ মিনিট সময় পাবেন। দ্বিতীয়বার পাবেন ২ থেকে ৩ মিনিট হলে এটাকে দ্রুত বীর্যপাত বলা যেতে পারে।

দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা চিকিৎসা 

দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা চিকিৎসা 

এই সমস্যা কী কারণে হচ্ছে সেটা বের করা জরুরি। ডায়াবেটিস, হরমোনের সমস্যা, থাইরয়েড, স্মোকিং, অ্যালকোহল প্রভৃতি কারণের সাথে দ্রুত বীর্যপাতের সম্পর্ক রয়েছে। তবে দ্রুত বীর্যপাতের অন্যতম প্রধান কারণ অনেকটাই সাইকোলজিক্যাল। সেজন্য স্টেপ বাই স্টেপ ট্রিট্মেন্ট করতে হবে। রিঅ্যাসুরেন্স ও কাউন্সিলিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। আর কিছু এক্সারসাইজও আছে। স্বামী-স্ত্রী দুজনে একসাথে কাউন্সিলিং করতে পারেন।

পেল্ভিক পেশীর কিছু ব্যয়াম রয়েছে। কেগেল ব্যায়াম করা যেতে পারে। স্কুইজ টেকনিক রয়েছে। বীর্যপাতের আগে লিঙ্গের ডগা চেপে দিলে অনেক সময় বীর্যপাত রোধ হয়।

লিঙ্গ সংবেদন কমানোর জন্য কিছু স্প্রে রয়েছে। যা সহবারের ১৫ থেকে ৩০ মিনিট আগে ব্যবহার করা যেতে পারে। এর মধ্যে অসারকারী কিছু উপাদান রয়েছে। যা সংবেদনশীলতা কমায়। এতে করে বীর্যপাত দ্রুত হয় না।

এছাড়াও কিছু কিছু মৈখিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট ওষুধ রয়েছে যেগুলো সেবনে অকাল বীর্যপাত রোধ হয়। সেগুলো সেবন করা যেতে পারে। দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা রোধে ইজালং ট্যাবলেট খেতে পারেন।

এক্ষেত্রে লাইফস্টইলে পরিবর্তন আনা খুবই জরুরি। নিয়মিত ব্যায়াম করা, ধুমপান না করা, অ্যালকোহল পান থেকে বিরত থাকা, ধ্যান করা যেতে পারে। এছাড়াও পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে।

বীর্য বৃদ্ধির উপায়

বীর্যে শুক্রাণু সংখ্যা যদি কম হয়ে থাকে তবে এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। এর সংখ্যা বৃদ্ধি করার অনেক উপায় রয়েছে।

  • গর্ভধারণের জন্য প্রতি মিলিলিটার বীর্যে কমপক্ষে ১৫ মিলিয়ন শুক্রাণু থাকা প্রয়োজন। তবে শুক্রাণুর সংখ্যা যত বেশি হবে গর্ভধারণের সম্ভাবনা তত বৃদ্ধি পাবে। বীর্যের পরিমাণ কম হওয়া শুক্রাণুর সংখ্যা কম থাকার একটি লক্ষণ। তবে এটা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। কিছু কিছু উপায় আছে যার মাধ্যমে শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধি করা যায়।
  • প্রথমত খাদ্যাভাসে কিছুটা পরিবর্তন আনতে হবে। সুষম খাবার খেতে হবে। ফল এবং শাকসবজি, বেরি, পালং শাক, ব্রকলি প্রভৃতিতে অনেক বেশি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। চর্বি ছাড়া বা কম চর্বিযুক্ত প্রোটিন যেমন- স্যামন মাছ, মুরগি প্রভৃতি খাওয়া যেতে পারে। এছাড়াও আখরোট, কুমড়ার বীজ এগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ফ্যাটি এসিড থাকে যা বীর্যের শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।
  • জিঙ্ক, ভিটামিন, কোএনজাইম Q10 এগুলো শুক্রাণুর সংখ্যা বৃদ্ধিতে ও গুণগত মান বজায় রাখতে বিশেষ সহায়তা করে। তাই সাপ্লিমেন্ট হিসেবে এগুলো খাওয়া যেতে পারে।
  • নিয়মিত ব্যায়াম বা এক্সারসাইজ করতে হবে। এতে করে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যা শুক্রাণু উৎপাদনে সহায়ক।
  • ধূমপান ত্যাগ করতে হবে এবং অ্যালকোহল পান করা যাবে না। গাঁজা বা স্টেরয়েড গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • ঢিলেঢালা অন্তর্বাস পরিধান করতে হবে। কারণ উচ্চ তাপমাত্রা শুক্রাণু উৎপাদন ব্যাহত করে। টাইট ফিটিং অন্তর্বাস তাপমাত্রা বাড়াতে পারে। তাই এমন কাপড় পরিধান করুন যেন শুক্রাণু উৎপাদনের জন্য উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়।
  • আর এছাড়াও প্রচুর পরিমাণে পানি পান করুন।

পরিশেষে বলবো, বীর্য ই হলো মানব প্রজননের একমাত্র সৃষ্টিকর্তা প্রদত্ত হাতিয়ার। তাই এ সম্পর্কে কোন ভুল ধারণা না রেখে সঠিক তথ্য জানতে হবে। এ ব্যাপারে কোন সমস্যা দেখা দিলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। কারণ অনেক সময় ভুল চিকিৎসায় অনেক বড় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে। তাই কনফিউশন না রেখে শেয়ার করুন, জানুন এবং সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিন।

 

দ্রুত বীর্যপাত সমস্যার সমাধান – ট্যাবলেট ও অন্যান্য পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্নোত্তর

দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যায় ভুগছেন? চিন্তার কিছু নেই। এখানে আমরা দ্রুত বীর্যপাতের কারণ, প্রতিকার, এবং ট্যাবলেট বা প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে এর সমাধান নিয়ে কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি।

1. দ্রুত বীর্যপাত বলতে কী বোঝায়?

দ্রুত বীর্যপাত এমন একটি অবস্থা যেখানে যৌন মিলনের সময় খুব দ্রুত বীর্যপাত ঘটে, যা স্বাভাবিক যৌনজীবনকে ব্যাহত করতে পারে।

2. এর প্রধান কারণ কী?

  • মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
  • অতিরিক্ত উত্তেজনা
  • হরমোনের ভারসাম্যহীনতা
  • অতীতের যৌন অভিজ্ঞতার প্রভাব

3. দ্রুত বীর্যপাতের জন্য কী ধরনের ওষুধ পাওয়া যায়?

এ সমস্যার সমাধানে চিকিৎসকরা সাধারণত SSRI ওষুধ (যেমন সেরট্রালিন বা পারোক্সেটিন), লোকাল অ্যানাস্থেটিক স্প্রে বা ট্রামাডল দিয়ে থাকেন। তবে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ গ্রহণ করবেন না।

4. প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে দ্রুত বীর্যপাত নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব?

হ্যাঁ, প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে দ্রুত বীর্যপাতের সমাধান সম্ভব। যেমন:

  • নিয়মিত কেগেল এক্সারসাইজ করা
  • ডায়েটে পুষ্টিকর খাবার যোগ করা (বাদাম, ডিম, দুধ, কলা, মধু ইত্যাদি)
  • মানসিক চাপ কমানোর জন্য মেডিটেশন করা

5. প্রতিদিন বীর্যপাত করলে কী ক্ষতি হয়?

প্রতিদিন বীর্যপাত শরীরের জন্য ক্ষতিকর নয়। বরং এটি প্রোস্টেট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমাতে পারে এবং মানসিক চাপ দূর করে।

6. দীর্ঘদিন বীর্যপাত না করলে কী হয়?

দীর্ঘদিন বীর্যপাত না হলে শরীরে অস্বস্তি, মানসিক চাপ, এবং স্পার্ম কোয়ালিটির উপর নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

7. দ্রুত বীর্যপাতের চিকিৎসায় কত সময় লাগে?

চিকিৎসার সময় রোগীর অবস্থার ওপর নির্ভর করে। সঠিক চিকিৎসা ও লাইফস্টাইল পরিবর্তনের মাধ্যমে কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই উন্নতি দেখা যায়।

8. দ্রুত বীর্যপাত সমস্যা কি স্থায়ীভাবে সমাধান করা যায়?

হ্যাঁ, সঠিক চিকিৎসা, খাদ্যাভ্যাস, এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে এ সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধান করা সম্ভব।

9. দ্রুত বীর্যপাত হলে কি দাম্পত্য জীবনে সমস্যা হয়?

এটি দাম্পত্য জীবনে মানসিক চাপ বা হতাশার কারণ হতে পারে। তবে সঠিক চিকিৎসা এবং দম্পতির বোঝাপড়ার মাধ্যমে সমস্যার সমাধান সম্ভব।

10. বীর্য বৃদ্ধির উপায় কী?

  • পুষ্টিকর খাবার যেমন বাদাম, ডিম, দুধ খাওয়া।
  • পর্যাপ্ত পানি পান করা।
  • নিয়মিত শরীরচর্চা।
  • ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করা।

11. দ্রুত বীর্যপাতের জন্য হোমিওপ্যাথি বা আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা কি কার্যকর?

কিছু ক্ষেত্রে কার্যকর হতে পারে, তবে এর আগে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

12. চিকিৎসকের কাছে কখন যাবেন?

যদি দ্রুত বীর্যপাতের সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয় বা আপনার যৌন ও দাম্পত্য জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে শুরু করে, তবে দ্রুত বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

আপনার যৌন স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকা এবং সঠিক সময়ে পদক্ষেপ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই প্রশ্নোত্তরগুলো আপনার সমস্যার সমাধান পেতে সাহায্য করবে।